“Kagiso Rabada is proper fire, but Jofra Archer….” – Ex-India opener’s massive – IPL 2026: রাবাদা বনাম আর্চার, দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের আগে আকাশ চোপড়ার বড় ভবিষ্যদ্বাণী
Contents
দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের মহারণে রাবাদা বনাম আর্চার
আইপিএল ২০২৬-এর নকআউট পর্বে উত্তেজনা তুঙ্গে। শুক্রবার, ২৯ মে, মুল্লানপুরের মহারাজা যাদবিন্দ্র সিং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার। এই ম্যাচে মুখোমুখি হবে গুজরাট টাইটান্স (GT) এবং রাজস্থান রয়্যালস (RR)। যে দল জিতবে, তারা ফাইনালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (RCB) বিরুদ্ধে শিরোপার লড়াইয়ে নামবে। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটির আগে প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার আকাশ চোপড়া দুই দলের দুই প্রধান পেসার—কাগিসো রাবাদা এবং জোফরা আর্চারের প্রভাব নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন।
গতির লড়াইয়ে উত্তপ্ত ময়দান
আকাশ চোপড়ার মতে, রাবাদা এবং আর্চার—উভয়ই এককভাবে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। তিনি উল্লেখ করেন, গুজরাট টাইটান্স পাওয়ারপ্লেতে মোট ৩১টি উইকেট নিয়েছে, অন্যদিকে রাজস্থান রয়্যালস নিয়েছে ২৯টি। চোপড়া বলেন, ‘কাগিসো রাবাদা আগুনের মতো বোলিং করছে। সে রীতিমতো বিধ্বংসী ফর্মে রয়েছে। তবে জোফরা আর্চারও কোনো অংশে কম নয়, সে অনায়াসেই ১৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে বল করছে।’
চোপড়ার ধারণা, দুই দলের কোচিং স্টাফ অর্থাৎ গুজরাটের আশিস নেহরা এবং রাজস্থানের শেন বন্ড তাদের বোলারদের স্লোয়ার বলের বদলে সরাসরি গতি এবং সঠিক লেংথে বোলিং করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘উভয় বোলারই আগে স্লোয়ার বলের ওপর বেশি নির্ভরশীল ছিল। তবে এবার তাদের বোলিংয়ে স্বচ্ছতা এসেছে। হয়তো শেন বন্ড এবং আশিস নেহরার পরামর্শেই তারা এখন আক্রমণাত্মক লাইনে বোলিং করছে।’
পরিসংখ্যানের বিচারে দুই পেসার
এই মরসুমে গুজরাট টাইটান্সের হয়ে কাগিসো রাবাদা ১৫ ইনিংসে ২৬টি উইকেট শিকার করেছেন এবং তার ইকোনমি রেট ৯.৪৮। অন্যদিকে, রাজস্থান রয়্যালসের জোফরা আর্চার ১৫টি ম্যাচে ২৪টি উইকেট নিয়েছেন, যার ইকোনমি রেট ৯.১৭। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের মতো হাই-প্রেশার ম্যাচে এই দুই বোলারের পারফরম্যান্সই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
রশিদ খানের ভূমিকা নিয়ে সংশয়
আকাশ চোপড়া এই ম্যাচে রশিদ খানের ব্যবহার নিয়েও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন। সাধারণত রশিদকে পাওয়ারপ্লেতে ব্যবহার করা হয় না। তবে চোপড়ার মতে, যদি বৈভব সূর্যবংশী এবং যশস্বী জয়সওয়াল ওপেনিং জুটিতে রাজস্থানকে ভালো শুরু এনে দেন, তবে গুজরাটের উচিত রশিদ খানকে কিছুটা আগেই বোলিংয়ে নিয়ে আসা। রশিদ এই মরসুমে ১৫ ইনিংসে ১৯টি উইকেট নিয়েছেন ৮.৭৭ ইকোনমি রেটে। তার অভিজ্ঞতা যে কোনো বড় ম্যাচে কার্যকর হতে পারে।
উদীয়মান তারকা যশ রাজ পাঞ্জা
রাজস্থান রয়্যালসের তরুণ স্পিনার যশ রাজ পাঞ্জার প্রশংসাও শোনা গেছে চোপড়ার কণ্ঠে। তিনি বলেন, ‘রশিদ খানের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের পাশাপাশি পাঞ্জা অনেকটা আড়ালে থাকলেও নিজের কাজটা দারুণভাবে করে যাচ্ছে। তার উচ্চতা এবং বোলিং অ্যাকশন তাকে বাড়তি সুবিধা দেয়। সে শুধু দ্রুত বল করে না, বরং বৈচিত্র্যের মাধ্যমে উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা রাখে।’ উল্লেখ্য, ১৯ বছর বয়সী পাঞ্জা প্রথম সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসা ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএলে খেলছেন এবং ৭ ইনিংসে ৯টি উইকেট নিয়েছেন।
সব মিলিয়ে, দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার হতে চলেছে পেস এবং স্পিনের এক অনন্য লড়াই। এখন দেখার বিষয়, ফাইনালের মঞ্চে কোন দল নিজের জায়গা পাকা করে নেয়।
