Report

জোনাসেনের শতরান সত্ত্বেও ওয়ারউইকশায়ারের হাতে হেরে যাওয়ার কাহিনী

Sarah J. Wainwright · · 1 min read
Share

ওয়ারউইকশায়ার 239-7 (ব্রিউয়ার 56, সুরেনকুমার 45, জোনাসেন 3-32) ইয়র্কশায়ার 238 (জোনাসেন 110, ডেভিস 3-43, বেকার 3-45) কে তিন উইকেটে হারিয়েছে

জোনাসেনের শতরান সত্ত্বেও ওয়ারউইকশায়ারের হাতে হেরে গেল ইয়র্কশায়ার

মেট্রো ব্যাংক ওয়ানডে কাপে ওয়ারউইকশায়ার তাদের চতুর্থ জয় পেল স্কারবোরোতে ইয়র্কশায়ারকে তিন উইকেটে হারিয়ে। অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার জেস জোনাসেনের দুর্দান্ত 110 রানের সত্ত্বেও ইয়র্কশায়ার জয় ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত হলো, কারণ চোলে ব্রিউয়ারের অপরাজিত 56-এর নায়কত্বপূর্ণ ইনিংস দলকে নিয়ে এলো লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি।

ইয়র্কশায়ারের ইনিংস: জোনাসেনের জোড়া পার্টনারশিপ

ইয়র্কশায়ারের ইনিংস শুরুটা ছিল দুর্বল। তাদের অধিনায়ক লরেন উইনফিল্ড-হিল তৃতীয় ওভারেই মেরি টেলরের বলে 6 রানে আউট হন। কিন্তু এরপর জোনাসেন এবং জর্জি বয়সের মধ্যে আসে 89 রানের দ্বিতীয় উইকেটের পার্টনারশিপ, যা দলকে পুনরুদ্ধারের দিশা দেয়।

বয়স 37 রানে আউট হওয়ার পর ইয়ার্কশায়ার আবার ঝাঁকুনি খায়। হানাহ বেকারের লেগ ব্রেক আক্রমণ জোরদার ছিল—তিনি স্টের কালিস (3), আমি ক্যাম্পবেল (1) এবং ম্যাডি ওয়ার্ডকে (1) আউট করেন। দলের স্কোর 108-4 এ নেমে আসে।

তখন ইনিস ব্ল্যাকওয়েলের সঙ্গে জোনাসেনের 79 রানের পার্টনারশিপ ইয়র্কশায়ারকে পুনরুদ্ধার করে। জোনাসেন 95 বলে শতরান পূর্ণ করেন চতুর্থশ ওভারে, কিন্তু ত্বরিত রান তোলার চেষ্টায় 110 রানে আউট হন মেগ অস্টিনের হাতে ধরা পড়ে।

তৃতীয় উইকেট হিসেবে বেকার পেয়েছেন 3-45, আর জর্জিয়া ডেভিস 3-43 নিয়েছেন। বেথ ল্যাংস্টন (18) এবং রেচেল স্ল্যাটার (14) নিচের অর্ডারে রান যোগ করলেও দল 238-এ অলআউট হয় 4 বল আগেই।

ওয়ারউইকশায়ারের লক্ষ্য তাড়া: চাপে পড়েও স্থিরতা

ওয়ারউইকশায়ারের রান তাড়া শুরু হয় খুব খারাপভাবে। প্রথম বলেই জর্জিয়া রেডমেইন রান আউট হন, জোনাসেনের দ্রুত প্রতিক্রিয়ায়। কিন্তু তারপর অমু সুরেনকুমার এবং মেগ অস্টিন 72 রানের পার্টনারশিপ গড়েন।

READ:  সিলেটে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান: প্রথম সেশনের লড়াইয়ে সমানে সমান

অস্টিন 30 রানে ক্লডি কুপারের বলে এলবিডব্লিউ হন। এরপর কুপার আর জোনাসেন ধারাবাহিকভাবে উইকেট নেন। সুরেনকুমার 45 রানে এবং পেভেলি 3 রানে আউট হন স্টাম্পিংয়ে। স্কোর 85-4।

এখানে আবিগেল ফ্রিবর্ন এবং চোলে ব্রিউয়ার লক্ষ্যের দিকে স্থির দৃষ্টি রাখেন। ব্রিউয়ার 36তম ওভারে অর্ধশত পূর্ণ করেন। আর এই পার্টনারশিপ হয় 93 রানে, যা ম্যাচের গতি বদলে দেয়।

জয়ের দিকে পথ ক্রমশঃ

ব্রিউয়ার 56 রানে আউট হন উইনফিল্ড-হিলের স্টাম্পিংয়ে, যা আবারও জোনাসেনের তৃতীয় উইকেট। ফ্রিবর্নও নিঃশব্দে আউট হন জোনাসেনের বলে 36 রানে। কিন্তু ততক্ষণে ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।

অবশিষ্ট তারকারা চাপ না দিয়েই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেন। ওয়ারউইকশায়ার 16 বল অবশিষ্ট থাকতে তিন উইকেটে জয় পায়।

জোনাসেন হয়ে গেলেন ম্যাচের সবচেয়ে বড় ফাইটার। তবুও ক্রিকেটে কখনো কখনো একার কাঁধে জয় ধরে রাখা যায় না। ইয়র্কশায়ারের প্রতি সমবেদনা থাকলেও ওয়ারউইকশায়ারের কাছে এটি পুরো দলের জয়।

Sarah J. Wainwright

An award-winning investigative journalist specializing in match-fixing scandals and governance in cricket. Sarah has broken major stories regarding boardroom politics and player contracts across the Big Three (India, Australia, England). Her deep-dive reports on "cricket corruption," "ACU investigations," and "BCCI policy changes" are widely cited by international sports media. She is the definitive voice for readers seeking truth behind the headlines.